jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» জাতীয় প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক সমাবেশ, কর্মসূচি বন্ধ «» ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার «» জগন্নাথপুরে শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন «» সিলেটে ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পেলেন শিবির নেতা «» গোলাপগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেল আরও ১৯পরিবার «» ছাতকে শ্যালিকার আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে বিয়ে ভাঙলেন দুলাভাই! «» আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে খেলাফত মজলিস স্বকীয়-স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে ময়দানে ভূমিকা রাখবে : অধ্যক্ষ মাওঃ ইসহাক «» আলেমদের সাধারণ নিয়মে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান হেফাজতের «» সিলেট মহানগর বিএনপির ২৯ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা «» সৈয়দপুর বাজারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন



সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে যাত্রীসেবা বাড়ানোর দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে যাত্রী সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি রয়েছে বাস মালিক সমিতির উদ্যোগ। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে ৩ বছর আগে এই সড়কে চালু হয়েছে বিআরটিসি বাস। যাত্রীদের সেবার মান বাড়াতে সরকারি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মালিক সমিতিও চালু করেছে উন্নত ‘নিলাদ্রী’ নামে বাস সার্ভিস। তবে এই দুইরকমের বাসের সংখ্যা সীমিত হওয়ায় যাত্রীদের পুরাতন বাস দিয়েই গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে বিআরটিসির ৩টি বাস চলছে। এই ৩টি বাস প্রতিদিন ৬ বার আসা-যাওয়া করে সিলেটে। সকাল সাড়ে ১০টা, দুপুর ১২টা, বেলা ২টা, বিকেল ৩টা, বিকেল ৪ টা ও সন্ধ্যা ৬টায় সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাসগুলো ছেড়ে যায়। মালিকপক্ষের উদ্যোগে যাত্রীদের উন্নত সার্ভিস প্রদানের জন্য সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে আরামদায়ক ৪টি বাস নামিয়েছেন। এ বাসগুলোর নাম দেয়া হয়েছে ‘নিলাদ্রী’। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ১ ঘণ্টা পরপর সিলেটের উদ্দেশে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায় ‘নিলাদ্রী’। যাত্রীরা বলছেন, সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে চলাচল করা অন্য বাসগুলো আরামদায়ক নয়। ঢাকা থেকে পরিত্যক্ত বাসগুলো এই সড়কে নিয়ে এসে যাত্রী পরিবহনে লাগানো হয়। তবে বিআরটিসির বাস ও মালিকপক্ষের নতুন দেওয়া নিলাদ্রী বাস সার্ভিস খুবই আরামদায়ক। একটি সিটের থেকে আরেকটি সিটের নির্দিষ্ট দূরত্ব ও উন্নত এসি সুবিধা রয়েছে এই বাসগুলোতে। সমস্যা হলো চাইলেই এ বাসগুলোতে যাওয়া যায় না। কারণ এই বাসগুলো ১ ঘণ্টা থেকে ২ ঘণ্টা পর পর সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। আর স্টেশনের পুরোনো বাসগুলো ২০ মিনিট পর পর ছেড়ে যায়। তাই সময় নষ্ট না করে ভোগান্তি সহ্য করে পুরাতন বাস দিয়ে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের।

 

এদিকে বিআরটিসি বাস কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা চাইলেও সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারছে না। তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ প্রতিদিন সিলেটে ৬টি ট্রিপ দেওয়ার অনুমতি দিয়ে গেছেন। এই নির্দেশনা প্রত্যাহার হলে বাসের সংখ্যা বাড়াবে তারা। জেলা বাস মালিক সমিতি বলছে, যাত্রীদের কথা চিন্তা করে এই সড়কে তারা ৪টি এসি বাস চালু করেছে। এই বাসগুলো প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা পর পর সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এরকম উন্নতর বাস আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। যাত্রী জাহানুর আহমেদ মনির বলেন, সিলেটে একটু আরামে যেতে চাই আমরা। নতুন বাসস্টেশনে যে বাসগুলো আছে, সেগুলোতে কষ্ট করে বসতে হয়। আর নিলাদ্রী ও বিআরটিসির বাসগুলো সময়মতো ছাড়ে না। নির্দিষ্ট সময় পর পর ছাড়ে। অথচ পুরাতন বাসগুলো ২০ মিনিট পর পর ছেড়ে যায় সিলেটের উদ্দেশে। তাই আমাদেরকে ভোগান্তি সহ্য করে পুরাতন বাস দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। বিআরটিসি বাসের সুনামগঞ্জ কাউন্টারের ম্যানেজার সৈয়দ নুর উদ্দিন বলেন, আমরা চাই বাসের সংখ্যা বাড়াতে। কিন্তু জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিন ৬টি ট্রিপ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে বাসের সংখ্যা বাড়াব আমরা। জেলা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মিয়া বলেন, আমাদের ৪টি বাস (নিলাদ্রী) এক ঘণ্টা পর পর সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। তবে যাত্রীদের কথা চিন্তা করে এরকম উন্নত বাস বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে আরও ২টি এসি বাস সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে যুক্ত হবে।