jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» জাতীয় প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক সমাবেশ, কর্মসূচি বন্ধ «» ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার «» জগন্নাথপুরে শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন «» সিলেটে ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পেলেন শিবির নেতা «» গোলাপগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেল আরও ১৯পরিবার «» ছাতকে শ্যালিকার আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে বিয়ে ভাঙলেন দুলাভাই! «» আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে খেলাফত মজলিস স্বকীয়-স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে ময়দানে ভূমিকা রাখবে : অধ্যক্ষ মাওঃ ইসহাক «» আলেমদের সাধারণ নিয়মে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান হেফাজতের «» সিলেট মহানগর বিএনপির ২৯ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা «» সৈয়দপুর বাজারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন



জগন্নাথপুরে প্রবাসীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারঃ জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবী

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভার বাসিন্দা, যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব বশর মিয়াকে জড়িয়ে আজগুবি মিথ্যাচারের মাধ্যমে জঘন্য অপপ্রচার ও অপবাদ ছড়াচ্ছে একটি অপরাধ চক্র। তাদের এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত অপপ্রচার বন্ধে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার ১৭ আগস্ট সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বশর মিয়ার পক্ষে লিখিত বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুরের মক্রমপুর নিবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিক সায়েদুর রহমান চৌধুরী রুপা। লিখিত বক্তব্যে কেশবপুরের যুক্তরাজ্য প্রবাসী আফতর আলীকে কুখ্যাত প্রতারক ও মামলাবাজ উল্লেখ করে একটি অপরাধী চক্রের মাধ্যমে সে এলাকায় নানা অপরাধের নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। অতীতে এসব অপরাধের কারণে আফতর আলী দেশে কারাবরণ করেছে। কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে সে ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্য চলে যায়। এরপর একটা প্রতারণা মামলায় তার ২০১৫ সালে সাজা হওয়ার কারণে অদ্যাবধি তিনি আর দেশে ফিরেননি। আরও অসংখ্য মানুষের হাজার হাজার পাউন্ড ও টাকা আত্মসাত করে আফতর আলী গ্রেফতারী পরওয়ানা মাথায় নিয়ে এখন লন্ডনে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে গত ১০ আগস্ট কেশবপুরের বখাটে ও সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীরকে বিদেশি রিভলবারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে উল্লেখ করে বলা হয়, কিন্তু প্রতারক আফতর আলী এতে বিচলিত হয়ে গ্রেফতারকৃত রিভলবারধারী জাহাঙ্গীরের ভাই আলমগীরকে দিয়ে সিলেটে সংবাদ সম্মেলন করে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে ফাঁসিয়েছে বলে দাবি করে। এতে অপ্রাসঙ্গিক ভাবে বিশিষ্ট সমাজসেবক বশর মিয়াকে নানা অপপ্রচার ও অপবাদ রটনা করা হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ৭ আগস্ট কেশবপুর বাজার থেকে নিজের পিতাকে নির্যাতনকারী এলাকার কুখ্যাত বখাটে যুবক ও ছিনতাই ডাকাতিসহ নানা কুকর্মে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরকে র‌্যাব বিদেশি রিভলবারসহ গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দ ও স্বস্তি প্রত্যক্ষ করা গেছে। এলাকাবাসী র‌্যাব তথা আইন শৃঙ্খলাবাহিনী কেশবপুর এলাকায় এ ধরনের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করায় স্বস্তিবোধ করছেন এবং বখাটে ও ছিনতাইকারী জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করায় তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

 

কিন্তু জাহাঙ্গীর বিদেশি রিভলবারসহ গ্রেপ্তার হওয়ায় পর মাথায় যেনো আকাশ ভেঙে পড়েছে কুখ্যাত প্রতারক, ঠকবাজ প্রতারণার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত গ্রেপ্তারি পরোয়ানাযুক্ত আসামি যুক্তরাজ্য প্রবাসী আফতর আলীর। কেশবপুরে কোনো কিছু ঘটলেই সেই ঘটনাকে ব্যবহার করে এলাকার সর্বজন শ্রদ্ধেয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে বরাবরই সে জঘন্য অপবাদ ও অপপ্রচার চালিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ধান্ধায় থাকে।

 

এরই অংশ হিসেবে কুখ্যাত আফতর আলীর প্ররোচনায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তারকৃত জাহাঙ্গীরের ভাই আলমগীর র‌্যাব তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে সিলেটে গত ১০ আগস্ট একটি সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে সম্পূর্ণ অযাচিতভাবে ও অপ্রাসঙ্গিকভাবে কেশবপুরের যুক্তরাজ্য প্রবাসী পঞ্চায়েতের সালিস ব্যক্তিত্ব বশর মিয়া ও তাঁর পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে জঘন্য অপবাদ ও আজগুবী মিথ্যাচার করা হয়। আসলে সংবাদ সম্মেলনে আলমগীর যে বক্তব্য দিয়েছে তা তার নিজের নয় এটা আফতর আলীর শেখানো বুলি মাত্র।

 

আলমগীর তার বক্তব্যে সর্বজন শ্রদ্ধেয় বশর মিয়া, তাঁর ভাই মজিদ মিয়াকে থানায় দালালীসহ অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত বলে উল্লেখ করে জাহাঙ্গীরকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে দোষারোপ করা হয়েছে। এছাড়াও গাড়ি পুড়ানো ও মাদরাসার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে বশর মিয়া ও তার ভাই মজিদ মিয়ার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগই একেবারেই হাস্যকর ও আজগুবী। কারণ এলাকার মানুষ বশর মিয়া সম্পর্কে সম্যক অবহিত।

 

তবে গাড়ি পুড়ানোর একটি মিথ্যা অভিযোগে ২০০৮ সালে আফতর আলী তার ভাবী সাফিয়া বেগমকে দিয়ে শত্রুতা বশত: একটি মামলায় বশর মিয়াকে আসামি করে। বশর মিয়া তখন দেশে এসেছিলেন এবং ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এই মামলাটির তদন্ত করেন তৎকালীন সুনামগঞ্জের চৌকষ ও সৎ পুলিশ সুপার হিসেবে সুপরিচিত শফিকুল ইসলাম। যিনি বর্তমানে ডিএমপির কমিশনার হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

পুলিশ সুপারের সরেজমিন তদন্তে মামলায় বশর মিয়ার জড়িত থাকার বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত হয় এবং তাকে তাৎক্ষণিক মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। যে মাদরাসার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে, বশর মিয়া ও তার মামা ১৯৯০ সালে এই মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। বশর মিয়ার মামা মরহুম হাজী ময়না মিয়া ও তার পরিবার আজও এই মাদরাসার তত্ত্বাবধান করছেন।

 

এলাকাবাসীর কাছে বশর মিয়ার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ জঘন্য মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছু নয়। বশর মিয়া থানারি দালালি করেন বলে গ্রেপ্তারকৃত বখাটে জাহাঙ্গীরের ভাই আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছে। বশর মিয়া এলাকার একজন পঞ্চায়েতের প্রতিষ্ঠিত মুরব্বী। এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচারকে এলাকার মানুষ হাস্যকর ভেবে উড়িয়ে দিয়েছে।কারণ এলাকাবাসী বশর মিয়াকে কখনো কোনো খারাপ কাজ করতে দেখেনি। তাকে এলাকায় গরীবের বন্ধু হিসেবে অভিহিত করা হয়।

 

তাছাড়া বর্তমান সরকারের সময় থানায় সুপারিশ বা এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রথা বন্ধ রয়েছে। ৯৯৯ এ কল করলে সাধারণ মানুষ নানানভাবে সহযোগিতা পেয়ে থাকেন। জগন্নাথপুর উপজেলায় পুলিশের অনেক কাজই এখন জনগণ কর্তৃক অভিনন্দিত হচ্ছে। বশর মিয়ার বিরুদ্ধে এ ধরনের জঘন্য অপবাদের বিরুদ্ধে, অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে তিনি শিগগিরই আইনী পদক্ষেপ নেবেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে জাহাঙ্গীরের বখাটেপনা ও চুরি ডাকাতির বর্ণনা দিয়ে বলা হয়, বিদেশি রিভলবারসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তারকৃত জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের অহরহ অভিযোগ রয়েছে। ২০০৪ সালে পাটলি ইউনিয়নের নন্দিগাঁওয়ে ইন্তাজ আলীর বাড়িতে প্রকাশ্যে দিবালোকে নগদ ২ লাখ টাকা ছিনতাই ও ডাকাতি করে জাহাঙ্গীর।

 

এ ঘটনায় জগন্নাথপুর থানায় ডাকাতি মামলা হয়।জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের ডাকবাংলো রোডে একটি লাইব্রেরীতে দফায় দফায় চুরিসহ বিভিন্ন সময় সংঘটিত অনেক চুরির ঘটনার সাথে জাহাঙ্গীর জড়িত। জাহাঙ্গীর অত্যন্ত বখাটে ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির যুবক। তার জন্মদাতা পিতাও তার নির্মম নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পাননি।

 

২০১৯ সালে নিজের পিতাকে বেদম মারপিট করে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় তার পিতা জগন্নাথপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে পুলিশ তাৎক্ষণিক জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় তার পিতা ও মাতা জুমআ বারে মসজিদের পঞ্চায়েত কমিটির কাছে বিচারপ্রার্থী হন। সংবাদ সম্মেলনে তাকে কেশবপুর বাজারের ব্যবসায়ী হিসেবে দেখানো হয়েছে। আসলে সে কোনো ব্যবসায়ী নয়। বাজারে তার ছোট একটি পানের দোকান রয়েছে। যেটা কোন্ সময় খোলা, কোন সময় বন্ধ হয় এলাকাবাসী বলতে পারেন না। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই পানের দোকান তার সাইনবোর্ড মাত্র।

 

সংবাদ সম্মেলনে আফতরের বিরুদ্ধে প্রতারণাসহ অভিযোগের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলা হয়, কেশবপুর গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী আফতরের বিরুদ্ধে প্রতারণাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। একটি প্রতারণা মামলায় ২০১৫ সালের ৭ ডিসেম্বর আফতর আলী ও দেশে অবস্থানরত তার বিধবা ভাবী সাফিয়া বেগমের বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই সুনামগঞ্জের আদালতে মামলাটি দায়ের হওয়ার পর একই সালের ৬ আগস্ট জগন্নাথপুর থানায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হয়।

 

২০১০ সালে দেশে অবস্থানরত মামলার প্রধান আসামি আফতর আলী পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং ২০১০ সালের শেষের দিকে আসামি আফতর আলী লাগাতার তিনমাস কারাবরণ করে জামিনে মুক্তি পেয়ে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে চলে যায়। পরে তার বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী হলে অদ্যাবধি তিনি আর দেশে ফিরেননি।

 

এদিকে এ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত তার ভাবি সাফিয়া বেগম দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। বিদেশে থাকায় আফতর আলীর বিরুদ্ধে এখনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে এবং দেশে ফিরলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

 

২০১৫ সালের ৭ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র বিচারক শহীদুল আমিন মামলার রায় প্রদান করেন। ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আরব আলী তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণারি অভিযোগে এ মামলা দায়ের করেন। বাদী অভিযোগ করেন তার ছেলে উসমান আলীকে যুক্তারাজ্য নেওয়ার জন্য ৭ লাখ টাকা চুক্তি করে আফতর আলী ও তার ভাবী সাফিয়া বেগম। বাদী আরব আলী ওই সময় নগদ ১ লাখ টাকা আফিয়া বেগমের নিকট ও আরও ১ লাখ টাকা আফতর আলীর কাছে জমা দেন। পরবর্তীতে ভিসা পেয়ে বাকী ৫ লাখ দেওয়ার লিখিত চুক্তি হয়। নগদ ২ লাখ টাকা নেওয়ার পর আফতর আলী যুক্তরাজ্য চলে যায়। এরপর আর বাদীর ছেলেকে যুক্তরাজ্য নেয়নি আফতর আলী।

 

এমনকি পরবর্তীতে আফতর আলী ও তার ভাবী সাফিয়া বেগম ২ লাখ টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে। ফলে বাদী তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেন। শুধু এই ঘটনা নয়, আফতর আলীর বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রতারণার ঘটনা অসংখ্য। এভাবেই তিনি দেশে ও যুক্তরাজ্যে অনেক মানুষের হাজার হাজার পাউন্ড ও লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এদের অনেকেই লজ্জা শরমে এসব মুখ ফোটে কথা বলেন না।

 

এতে আরও অভিযোগ করা হয়, চলতি মাসের ৭ আগস্ট জগন্নাথপুরের যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. সাজন আলী উরফে সাজিদ মিয়া তার বাড়ি ও জায়গা দখলের অভিযোগে প্রতারক আফতর আলী, বিদেশি রিভলবারসহ গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর একটি থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সশস্ত্র জাহাঙ্গীর আলম ভূমি ও বাড়ি দখল করতে নানাভাবে হুমকি দিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

 

আফতর আলী একজন পেশাদার প্রতারক ও মিথ্যা মামলার নেপথ্য কারিগর হিসেবে এলাকায় চিহ্নিত। লন্ডনে বসে গ্রামের নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে তার চক্রের সহযোগীদের দিয়ে একের পর এক মামলা দিয়ে নানাভাবে হয়রানি করে।

 

এ বিষয়ে নিরীহ গ্রামবাসী ২০১৬ সালের ৭ এপ্রিল আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে তার বিরুদ্ধে নানা অপরাধ সম্বলিত একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগে গ্রামবাসী যুক্তরাজ্য প্রবাসী আফতর আলীকে একজন দাগী প্রতারক, ভূমির জবরদখলকারী, মানবপাচারকারী ও দুষ্টুচক্রের গডফাদার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এতে বলা হয়, তার বড় ভাই আজিম উল্লাহর মৃত্যুর পর তার ভাবী সাফিয়া বেগমের সাথে সে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলে এবং সাফিয়া বেগমকে দিয়ে এলাকার লোকজনের সাথে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ, অন্যের ভূমি দখলসহ নানা অপকর্মসহ, মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা দিয়ে মানুষকে নানাভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে স্বার্থ হাসিল করে। এটা আফতর আলীর নেশা এবং পেশায় পরিণত হয়েছে। তার এই অপকর্ম এখনো অব্যাহত রয়েছে।

 

দীর্ঘদিন থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে আফতর আলী যুক্তরাজ্যে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু তার অপকর্ম বন্ধ হয়নি। জগন্নাথপুর, জকিগঞ্জ, এসএমপির জালালাবাদ থানা এবং আদালতে বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে তার চক্রের সদস্যদের দিয়ে মামলা করে নিরীহ মানুষজনকে হয়রানি করে আসছে।