jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» সিলেট সন্ত্রাসবিরোধী মানববন্ধনে বক্তারা সন্ত্রাস ও উগ্রবাদী গোষ্ঠী দেশ জাতি ও সমাজের শত্রু «» আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা «» গোলাপগঞ্জে আওয়ামীলীগের মতবিনিময় সভা «» জগন্নাথপুরে আ.লীগ নেতার হামলার শিকার বিধবা মহিলা, বসত ঘরে ভাংচুর ও হত্যার হুমকী «» ছাতকে খেলাফত মজলিসের জরুরি দায়িত্বশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত «» সিলেটে অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে স্ত্রীকে ফেরাতে না পেরে হত্যা «» দক্ষিণ সুরমায় একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা «» সিলেটে গৃহবধূ হত্যায় গ্রেফতার ১ «» মাওলানা যোবায়ের আহমদ চৌধুরীর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম «» জগন্নাথপুরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উদযাপন



হবিগঞ্জে দাওয়াত দিয়ে প্রেমিককে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

নিজস্ব প্রতিবেদক :: হবিগঞ্জের বাহুবলে প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ফয়সল আহমেদ নামে এক কলেজছাত্র। ফয়সল আহমেদ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার সদর ইউপির হাসারগাও গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে। তিনি হবিগঞ্জ সরকারি বৃন্দাবন কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।

 

 

এদিকে, গুরুতর অবস্থায় রোববার সকালে ফয়সল আহমেদকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

 

দীর্ঘদিন ধরে বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউপির দ্বিমুড়া এলাকার কুয়েত প্রবাসী আব্দুল হাইয়ের মেয়ে লিজা আক্তারের সঙ্গে ফয়সলের প্রেম চলছিল। তারা দুজন একই কলেজে পড়েন। কিছুদিন আগে লিজা তাদের সম্পর্কের কথা মাকে জানান। পরে মায়ের সঙ্গে ফয়সলকে পরিচয় করিয়ে দেন। একপর্যায়ে লিজার কথায় প্রেমিককে বাড়িতে দাওয়াত করেন মা লিপি বেগম।

এরই প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে প্রেমিকার বাড়িতে যান ফয়সল। এরপর প্রেমিকার পরিবারের লোকজন ফয়সলের হাত-পা খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করেন। একপর্যায়ে অবস্থা বেগতিক দেখে ডাকাত বলে পুলিশে খবর দেয়। পরে ফয়সলকে উদ্ধার করে নিজ পরিবারের জিম্মায় দেয় পুলিশ। গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।

 

রোববার সকালে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে দেখা যায়, প্রথমে ফয়সলের মাথার পাগড়ি দিয়ে হাত-পা বাঁধা হয়। পরে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন করেন প্রেমিকার বাড়ির লোকজন।

 

বাহুবল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে নির্যাতনের শিকার কলেজছাত্রকে ফোন করে আনা হয়েছে না-কি তিনি নিজিই এসেছেন বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।