jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» ছাতকে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে পুলিশ সদস্য আহত «» ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বড় হুজুরের জানাযার নামাজে মুসল্লিদের ঢল «» বিশ্বনাথে অবশেষে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা রেকর্ড «» গলায় ফাঁস দিয়ে শাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা «» সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপ পুলিশ হেফাজতে «» ছাতকে খেলাফত মজলিসের ঈদ পুনর্মিলনী ও নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত «» ছাতকে নামাযরত অবস্থায় মুসল্লি তৈয়ব আলীর মৃত্যু «» ছাতকে একতার অভিষেক ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন «» জগন্নাথপুরে চিলাউড়া ছাত্র ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী ও প্রীতি সমাবেশ সম্পন্ন «» সিলেটে এম. সাইফুর রহমান ও আ.ফ.ম কামাল হোসেনের নামে চত্বর স্থাপনের দাবি



হবিগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক :: হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক নারী শ্রমিককে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক মহিবুর রহমান পিপলোসহ (২৬) তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন নির্যাতিতের মা। বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধান আসামি মহিবুর রহমান পিপলো মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. এখলাছুর রহমানের ছেলে। ধর্ষণে সহায়তাকারী মামলার অপর দুই আসামি হলেন একই সনজব আলীর ছেলে ফয়সল মিয়া (২৫) ও সমুজ আলীর ছেলে সুরুজ আলী (৩২)।

 

 

মামলার অভিযোগে জানা যায়, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক কাজ করা নারী শ্রমিককে প্রায় সময় রাস্তায় উত্যক্ত করতেন মহিবুর রহমান পিপলো। বিষয়টি তার বাবাকে জানালেও তিনি কোন সমাধান করেননি। ওই শ্রমিকের পরিবার দরিদ্র হওয়ায় উল্টো তাদেরই শাসন করেন পিপলোর বাবা। গত ২ এপ্রিল সন্ধ্যায় নির্যাতিত মেয়েটি কর্মক্ষেত্র থেকে বাড়িতে ফেরার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পার্শ্বে লক্ষিপুর গ্রামে টমটম দিয়ে যাওয়ার সময় আসামিরা জোরপূর্বক তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে পিপলো জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন। অন্যরা সহযোগিতা করেন। পরে ধর্ষণের শিকার মেয়েটির চিৎকার শুনে লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিমের অভিভাবক বিষয়টি স্থানীয় মুরুব্বি, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে জানালে তারা বিষয়টি সালিশে নিষ্পত্তির চেষ্টা করেন। কিন্তু আসামির বাবা এখলাছুর রহমান করোনার অজুহাতে সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন। পরে তিনি বিভিন্ন লোক মারফত ভিকটিমের মায়ের কাছে ২০ হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কথা জানান।পরে ভিকটিমের মা আদালতে মামলা দায়ের করেন।

 

 

ভিকটিমের মা জানান, তিনি তার মেয়েকে ধর্ষণের বিচার চান। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় বিভিন্নভাবে তাদের হুমকি দিচ্ছেন। স্থানীয়ভাবে কোন বিচার না পেয়ে আদালতের স্মরনাপন্ন হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

 

 

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাব্বির আহমেদ জানান, ভিকটিমের পরিবার অত্যন্ত নিরীহ এবং দরিদ্র। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় বিভিন্নভাবে সময় ক্ষেপণ করেছে। বাদী থানায় মামলা করতে গেলে বিলম্বের জন্য মামলা নেয়নি। এ কারণে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।