jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» দরিদ্র পরিবারে এম এ সাত্তার ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার বিতরণ «» যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সভাপতি এম এ সাত্তারের ঈদের শুভেচ্ছা «» উম্মাহ হেন্ডস ইউকে’র পক্ষথেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অসহায়দের মাঝে ত্রান ও অর্থ বিতরণ «» জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলমের ঈদের শুভেচ্ছা «» ছাতকে গলায় ওড়না পেছানো অবস্থায় লাশ উদ্ধার «» জগন্নাথপুরে লাইসিয়াম কিন্ডারগার্টেন স্কুল’র পক্ষ থেকে ঈদ উপলক্ষে নগদ ২ লক্ষ টাকা বিতরণ «» নবীগঞ্জে অর্থ বিতরণ করলেন সাংসদ মিলাদ «» প্রবাসীরা দেশে অবদান রেখে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছেন- এমপি মোকাব্বির খান «» জগন্নাথপুরে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল «» শ্রীমঙ্গলে প্রবাসীকে হয়রানীর অভিযোগ: ইউপি চেয়ারম্যান সুফি মিয়ার প্রত্যাখ্যান



ঈদে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট আসছে

জেএসবি টুয়েন্টিফোর ডেস্ক :: অন্যান্য সময়ের তুলনায় মুসলমানদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদকে সামনে রেখে প্রতিবছরই নতুন নোটের চাহিদা বাড়ে। রোজার ঈদের মতই কোরবানি ঈদের নতুন নোট ছাপানোর প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এবারের ঈদ উপলক্ষে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হবে। তবে করোনার কারণে রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদেও সর্বসাধারণের মাঝে নতুন টাকা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

ঈদের আগের মাসের বেতন ও বোনাসের টাকা নতুন নোটে পাওয়ার আশা করেন চাকরিজীবীরা। এ ছাড়া ঈদের আগে সালামি ও বকশিশের জন্য নতুন টাকা সংগ্রহ করে সাধারণ মানুষ। এটা মাথায় রেখেই প্রতিবছর দুই ঈদে নতুন টাকা বাজারে ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত রোজার ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি রেখেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আর গত কোরবানির ঈদে ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছিল।

 

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, কোরবানির কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে নগদ টাকার চাহিদা বেশি হবে। এটা বিবেচনায় নিয়ে এবার ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছাড়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। এগুলোর বেশির ভাগই একেবারে নতুন নোট। স্বাভাবিক সময়ে সাধারণের মাঝে নতুন টাকা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হয়। কিন্তু করোনার কারণে এই সুযোগ রাখা হচ্ছে না। ফলে গতবারের চেয়ে এবার চাহিদা কিছু কম হবে বলেই মনে হচ্ছে।

 

ঈদ সালামিতে নতুন টাকা পেতে পছন্দ করে ছোট-বড় সবাই। এর পাশাপাশি বকশিশ, ফিতরা কিংবা দান-খয়রাতেও অনেকে নতুন টাকা সংগ্রহ করে। তবে করোনা মহামারির কারণে রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদেও সর্বসাধারণের জন্য নতুন টাকা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে না। ব্যাংকের যারা গ্রাহক, তারা লেনদেনের সময় নতুন টাকা নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া এটিএম বুথেও গ্রাহকরা নতুন টাকা পাবেন।

 

মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তোলার চাপ বেড়েছে অনেক আগে থেকেই। গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে সংকটে পড়া ব্যাংকগুলো প্রতিদিনই নগদ টাকার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারস্থ হচ্ছে। রেপো ও বিশেষ তারল্য সহায়তার আওতায় প্রতিদিনই ব্যাংকগুলোকে হাজার হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। করোনা সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ায় সামনেও নগদ টাকার চাহিদা থাকবে।

 

 

জানা গেছে, সারা বছর ৪০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বিভিন্ন মূল্যমানের নোট প্রয়োজন হয়। এর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ প্রয়োজন হয় দুই ঈদে। তবে এবার করোনার সংকটের কারণে নগদ টাকার চাহিদা বেশি হচ্ছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এক লাখ কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন শুরু হওয়ায় বাজারে মুদ্রা সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। এই মুদ্রা সরবরাহের একটি অংশ নগদ টাকা হিসেবে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।