jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» তিন বিষয়ে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে «» ফুফাত বোনকে ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগে মামাত ভাই কারাগারে «» ছাতকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ হাজার ৬শ টাকা জরিমানা «» জগন্নাথপুরে মেম্বার পদপ্রার্থী খোরশেদ আলীর ঈদ শুভেচ্ছা «» জগন্নাথপুরে জিয়া লাইটিং এন্ড পুষ্প কেন্দ্র’র পক্ষথেকে ঈদ শুভেচ্ছা «» জগন্নাথপুরে বিশিষ্ট সমাজসেব, শিক্ষানুরাগী সৈয়দ তালহা আলমের ঈদ শুভেচ্ছা «» মাদরাসা খোলার অনুমতি চায় হেফাজত «» ছাতকে ১৯টি মামলার পলাতক আসামী ডাকাত সর্দার গ্রেফতার «» দিরাইয়ে বেতনের টাকা কেটে নিয়ে তোপের মুখে ফেরত দিল অফিস সহকারী «» ওসমানীনগরে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে বিশ্বনাথের ধর্ষক গ্রেফতার



সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতকে অনিশ্চিত গন্তব্যে ঠেলে না দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হোক : আখতার হুসাইন আতিক

বৈশ্বিক মহামারি কোভিড -১৯ নোভেল করোনাভাইরাস মার্চের প্রথমার্ধ থেকে শুরু হয়ে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে কাবু করে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে তুলেছে। মুক্তি পেথে রাষ্ট্রীয়ভাবে গ্রহণ করা হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রদক্ষেপ।চলছে দেশব্যাপী লকডাউন এবং সাধারণ ছুটি। আমরা আরো লক্ষ করছি আঞ্চলিক/জোনভিত্তিক রেড জোন, ইয়েলো ও গ্রীণ জোনের অবরোদ্ধতা। কিন্তু কোনো কিছুতেই যেনো কোনো লাভ হচ্ছে না! না হচ্ছে করোনাভাইরাস দমন, জনগণও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।সরকারও এ নিয়ে মহাসংকটে দিনাতিপাত করছে।

 

 

আর সর্বসাধারণের অবস্থা কী?
এখনো দেখা যায় গ্রামবাংলার মানুষ একটা পাতার বিড়ি তিনজন মিলে ধুমপান করছে।
এহেন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র মন্দের ভালো হিসেবে দেশের স্বাভাবিক অবস্থার দিকে ফিরে যেতে কার্যত একপ্রকার বাধ্য হয়ে লকডাউনকে সহনীয় ও শীতিলভাবে দেখছে বলে প্রতিয়মান হচ্ছে।

 

 

উদাহারণ হিসেবে বলা যায়:
১. দেশ চালনার মৌলিক কর্মসূচি সংসদ অধিবেশন চলছে

২. ব্যাংক -বীমার কার্যক্রম সেই আগের মতই

৩. হাট-বাজারে চরম গণজমায়েত, পশুর হাটতো আর আছেই

৪. গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি ও কল -কারখানায় উপচে পড়া ভীড়

৫. কারাগারসমূহে স্বাস্থ্যবিধি পালনের লক্ষণই নেই

৬. গণপরিবহন আছে চিরাচরিত রুপে

৭. কোথায়ও ফুটবল আর হাডুডু খেলার নামে চলছে বিশাল জনমহড়া।

 

 

এই যদি হয় লকডাউনের কার্যকারিতা আর স্বাস্থ্য সচেতনতার নমুনা- তবে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে, দেশের জনজীবনে স্বস্তি প্রদান করতে সরকারের কঠিন আইনে নমনীয় ও শৈতিল্যভাব যৌক্তিক মনে করি। তখন এমন নীতি হবে মন্দের ভালো!
আসি মূল প্রসঙ্গে, যখন ভাইরাসরোধ করা যাচ্ছে না এবং জনগণকেও আইন মানানো যাচ্ছে না! এই বাস্তবিক অভিজ্ঞতায় জাতির ভবিষ্যৎ চিন্তা করে, শিক্ষক -শিক্ষার্থীর আসন্ন আলোকোজ্জ্বল পথচলা বিবেচনায় মন্দের ভালো হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হোক।

 

 

কেন? সাধারণ ছুটিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরও ইস্যুভিত্তিক কিছু ক্ষতি হচ্ছে না, এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। আর কওমী মাদরাসাসহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের তো ক্ষতির সীমা নেই। তাঁরা অর্থনৈতিক সংকটে একেবারে ধরাসায়ি, কতইনা দূঃখ-কষ্টে সময় অতিক্রম করছেন।

 

 

সরকারি বলেন আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বলেন, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ বিরতির ফলে লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে অনেকে অকালে ঝরে পড়বে, দীর্ঘ শিক্ষার ঘাটতিতে তাদের মাঝে মানষিক অচলাবস্থা বিরাজ করবে। এমন জটিল পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে শিক্ষক -শিক্ষার্থীর সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতকে অনিশ্চিত গন্তব্যে ঠেলে না দিয়ে চরম স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্ত সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানাদি খুলে দিতে সরকার ও বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

 

 

কেন দাবি জানাচ্ছি? বেসরকারি এমনও প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো আরো কিছুদিন সাধারণ ছুটি অব্যাহত থাকলে স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে! যা হবে মারাত্মক ক্ষতির কারণ।
আসুন! সবাই নিরাপদে থাকি,সুস্থ থাকি।স্রষ্টার নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি।

 

লেখক: দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ, মোবাইল: 01735- 464493