jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» গলায় ফাঁস দিয়ে শাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা «» সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপ পুলিশ হেফাজতে «» ছাতকে খেলাফত মজলিসের ঈদ পুনর্মিলনী ও নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত «» ছাতকে নামাযরত অবস্থায় মুসল্লি তৈয়ব আলীর মৃত্যু «» ছাতকে একতার অভিষেক ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন «» জগন্নাথপুরে চিলাউড়া ছাত্র ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী ও প্রীতি সমাবেশ সম্পন্ন «» সিলেটে এম. সাইফুর রহমান ও আ.ফ.ম কামাল হোসেনের নামে চত্বর স্থাপনের দাবি «» একজন আদর্শ শিক্ষক অধ্যক্ষ মাওঃ শামছুজ্জামান চৌধুরী «» ঈদ-উল- আযহা উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে খেলাফত মজলিসের শুভেচ্ছা «» জগন্নাথপুর উপজেলা কালচারাল ফোরাম এর নব-গঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে আলোচনা সভা ও নগদ অর্থ বিতরণ



শিক্ষা ও গবেষণাতে দেশের শীর্ষ অবস্থানে শাবি- রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ

জেএসবি টুয়েন্টিফোর :: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিচর্চা ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জেলায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় এক্ষেত্রে প্রথম। তবে শুধু প্রতিষ্ঠার দিক থেকে নয়, বরং শিক্ষা ও গবেষণাতেও বিশ^বিদ্যালয়টি তার শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। গবেষণা ও আবিষ্কারের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি তার শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। বিশে^র বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় জয় লাভ করে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশের সুনাম সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে এ বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শুধু তাই নয়, দেশ ও বিদেশে কর্মক্ষেত্রে এ বিশ^বিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা শ্রেষ্টত্ব অর্জনের মাধ্যমে দেশের সুনাম বয়ে আনছে। আমি আশা করি বিশ^বিদ্যালয়টি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধের মহান আদর্শে অনুপ্রাণিত, জঙ্গি ও মৌলবাদমুক্ত, বিজ্ঞানমনষ্ক প্রজন্ম গড়ার নেপথ্যে ভূমিকা রেখে ভবিষ্যতেও তার সুনাম অক্ষুণœ রাখবে। বুধবার বিকালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে একথা  বলেন তিনি।

 

 

এর আগে তৃতীয় সমাবর্তনে অংশ নিতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বুধবার দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে তিনি হেলিকপ্টারযোগে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এর আগে পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার তেজগাঁও হেলিপ্যাড থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হন রাষ্ট্রপতি। তিনি সিলেটে পৌছেই হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহ পরাণ (রহ.)’র মাজার জিয়ারত করেন।
এসময় লিখিত বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ এখন পৃথিবীর বুকে শান্তিপূর্ণ উন্নয়নশীল একটি দেশ। দারিদ্র নিরসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নে বর্হিবিশে^ দেশটি এখন রোল মডেল। বিশ^ দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৮শতাংশের উপরে। অর্থনীতিবিদদের ধারণা ২০২৪ সাল নাগাদ এ হার হবে ১০শতাংশের উপরে। প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এখন সময় মুক্তিযোদ্ধার চেতনায় এগিয়ে যাওয়ার। সময় এখন বিশে^র বুকে মাথা উচু করে দাড়াবার, পথ চলবার। বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও অগ্রযাত্রায় নারী পুরুষ নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুয়ের অবদান খুবই প্রশংসনীয়। এ দেশের দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, পরিশ্রমী, উদ্যমী, লড়াকু ও সংবেদনশীল জনগনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জনের সফল হবে।

 

যেকোনো দেশের উন্নয়ন ও ইতিবাচক পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ কওে তরুণ সমাজ। আজ তোমরা যারা গ্র্যাজুয়েট হলে আমার সাননে এই যে তরুণ প্রজন্ম তোমরা এক একটি আলোর প্রদীপ। তোমাদের সকলকে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় এগিয়ে আসতে হবে। কাঁধে নিতে হবে দেশ ও জাতির দায়ভার। আমি মনে করি, তোমাদের মেধা ও শ্রমেই গড়ে ওঠবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’। বিশ^বিদ্যালয়ে কঠোর জ্ঞান তপস্যা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে তোমরা ডিগ্রি অর্জন করেছো। তোমরা ভালো করেই জানো তোমাদের বিদ্যালাভ ও সত্যিকার মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পিছনে যারা শক্তি সাহস ও অর্থ জুগিয়েছেন তারা হচ্ছেন এ দেশের জনগণ। তাই বাংলাদেশের জনগনের প্রতি জীবন ব্যাপী তোমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা জাতি প্রত্যাশা করে।

 

 

পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রই এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নিজেদের শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলেছে। তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর নতুন এই বিশ^ ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত যে কোনো অসামর্থ্য দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। বাংলাদেশকে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে নিরন্তর গবেষণা। নিত্য নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও তার প্রসারের ওপরেই নির্ভর করে দেশের সমৃদ্ধি। বিশ^ায়নের এ যুগে রাষ্ট্র ও জনগনের চাহিদা মোকাবেলায় প্রযুক্তিগত জ্ঞান ব্যতিত ও গত্যন্তর নেই। তথ্য প্রযুক্তিতে সাক্ষমতার ফলেই উন্নয়নকে আজ দেশের অপামর জনসাধারনের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এক্ষেত্রে তোমরা আরো দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আমি আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

 

তোমাদের অর্জিত জ্ঞান মানব কল্যাণে কাজে লাগাবে। নতুন জ্ঞান তৈরি করবে। জ্ঞানকে কর্ম ও মানব মুক্তির সহায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। শুধু যে নিজেকে সরকারী চাকুরে বা অন্য যেকোনো চাকুরে হিসেবে ব্যপিত রাখবে এটা জাতি প্রত্যাশা করে না। তোমরা নিজেরাই চাকুরীর নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরী করবে। তোমাদের তৈরী করা ক্ষেত্রের মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব নিরসন করবে। আমি  এ প্রসঙ্গে আমেরিকান বিলগেটসের নাম উল্লেখ করতে পারি। বাংলাদেশের সদ্য প্রয়াত স্যার ফজলে হাসান আবেদও এ দৃষ্টান্তমূলক নজির স্থাপন করেছেন। তাঁরা নিজেরা মেধা ও শ্রম দিয়ে পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ মানুষের বেকারত্ব ঘুচিয়েছেন, দারিদ্র বিমোচন করেছেন। আমি বিশ^াস করি তোমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই সেই শক্তি ও সামর্থ্য রয়েছে। তোমরা সেটাকে কাজে লাগাবে।
আপনাদের মেধা, শ্রম ও ভালোবাসায় তৈরী হয় জাতির তরুণ প্রজন্ম। আপনারা জ্ঞানার্জন, জ্ঞান সৃষ্টি ও জ্ঞান বিতরণ করে জাতীয় দায়িত্ব পালন করছেন। সাধারণ মানুষ আপনাদের উপর ভরসাও করে বেশি। জাতি আপনাদের প্রতি সবিশেষ কৃতজ্ঞ। তাই গড়ে তুলি, পৃথিবীর তাবৎ জ্ঞানের দরজা খুলে মানব জাতিকে কল্যাণ ও অগ্রগতির পথ দেখাই। এককালে এদেশ চিকিৎসাবিদ্যা, জাহাজনির্মাণবিদ্যা, ভাস্কর্যবিদ্যা, স্মৃতিশাস্ত্র, নাট্যশাস্ত্রসহ জ্ঞানের নানা শাখায় আতুরঘর ছিলো। মহামতি শীলভদ্র, অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান, শান্তিদেব প্রমুখের জন্ম এই মাটিতে। নানা দেশ থেকে বিদ্যার্থীরা এখানে ছুটে আসতেন জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে। আমি চাই প্রাচ্য-প্রাতীচ্য জ্ঞানের মিশ্রণ ঘটিয়ে আপনারা বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ^বিদ্যালয়কে জ্ঞানতীর্থ করে তুলবেন।

 

 

কেবল সনদস্বর্বস্ব জ্ঞান দিয়ে কেউ নিজের ও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে না। এর জন্য প্রয়োজন অন্তর্গত প্রেরণা ও সুগভীর দেশ প্রেম, দেশের জন্য অগাদ আবেগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসা। নিজেকে, নিজের শিক্ষাকে ও দেশ ও দশের কল্যাণের জন্য উৎসর্গ করার মানসিকতা তোমাদের অজর্ন করতে হবে বলে জানান রাষ্ট্রপতি।
এছাড়া ফর্মালিনযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে ক্যান্সারের এ সংখ্যা বাড়ছে মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ‘ফলমূল, শাকসবজিসহ সবকিছুতেই এখন ফরমালিন। এসব খাওয়া ফলে দেশে ক্যান্সার রোগী বাড়ছে। গত ২০/৩০ বছর আগেও এত ক্যান্সার রোগীর কথা আমরা শুনতাম না। অথচ বর্তমানে ফর্মালিনযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে ক্যান্সারের এ সংখ্যা বাড়ছে। এর ফলে ধীরে ধীরে আমরা জাতী হিসেবে পঙ্গ হয়ে যাচ্ছি।’
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ‘একটা মানুষ মার্ডারের ফলে ৩০২ ধারায় যাবজ্জীবন অথবা মৃত্যুদন্ড হয়। অথচ কিছু মানুষ খাবারে ফরমালিন দিয়ে ব্যবসার নামে লুটপাট ও গণহত্যা  চালাচ্ছে। দেশের সার্বিক বিষয় চিন্তা করে এদের বিরুদ্ধে সরকারি পদক্ষেপও  সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। সমাবর্তনে সিলেট শহরের রাস্তাঘাটের ময়লা আবর্জনা নিয়েও কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

 

 

এসময় ‘আমাদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মন-মানসিকতা উঠে গেছে’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, শাহজালাল (রহঃ) ও শাহপরান (রহঃ) সহ অসংখ্য ওলি আওলিয়ার পূন্যভূমি সিলেট। অথচ এখানকার রাস্তাঘাট দেখে মনে হচ্ছে আমাদের আমাদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মন-মানসিকতা উঠে গেছে। পলিথিন, কাগজপত্র, পেপার যাচ্ছেতাই পড়ে আছে রাস্তায়। অথচ বিদেশে থুথু ফেলারও সুযোগ নেই। আমরা যারা আছি তারা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরকে মোটিভেট করতে হবে। এছাড়া আমরাসহ যারা দেশের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ আছেন তারা দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

 

 

জাতীয় সংগীত ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে শুরু হয় সমাবর্তনের মুল অনুষ্ঠান। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইশফাকুল হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। এছাড়া সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন  বরেন্দ্র কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম। এসময় মঞ্চে সকল অনুষদের ডিনবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ তাদের অনুষদভূক্ত গ্রাজুয়েটদেরকে সনদপত্র প্রদানের জন্য প্রস্তাবনার মাধ্যমে প্রস্তাব করা হয়। পরবর্তীতে সকল ¯œাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী গ্রাজুয়েট, পিএইচডি, এমএসএস, এমএস, এমডিসহ সকল গ্রাজুয়েদের ডিগ্রিপ্রদানের ঘোষণা দেন রাষ্ট্রপতি।  পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও সমাবর্তন বক্তাকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

 

 

সমাবর্তনে ২০০১-০২ থেকে ২০১০-১১ সেশন পর্যন্ত ¯œাতক ও ¯œাতকোত্তর পর্যায়ের মোট ৬ হাজার ৭৫০জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ৪ হাজার ৬১৭ জন, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ১ হাজার ১২৭ জন, পিএইচডি ২ জন, এমবিবিএস ৮৭৮ জন, এমএস ও এমডি ডিগ্রিধারী ৬ জন ও নার্সিংয়ের ১২০ জন অংশগ্রহণ করেন।

 

এছাড়া স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সেরা ফলাফল অর্জনের জন্য ২০ শিক্ষার্থীকে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি। এর মধ্যে ¯œাতক পর্যায়ে ১১ জন ও ¯œাতকোত্তর পর্যায়ে ৯ জন শিক্ষার্থী এ স্বর্ণপদক প্রদান হয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদেও ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, সিলেটের বিভিন্ন আসনের জাতীয় সংসদের সদস্যবৃন্দ ও আওয়ামী লীগের জাতীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে ১৩ই ফেব্রুয়ারি ৩২০ একরের উপর দেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়। দীর্ঘ ২৯ বছরের পথচলায় বিশ^বিদ্যালয়ে ১ম সমাবর্তন ১৯৯৮ সালের ২৯শে এপ্রিল ও ২য় সমাবর্তন দীর্ঘ ৯ বছর পর ২০০৭ সালের ৬ই ডিসেম্বর বিশ^বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দীর্ঘ ১২ বছরে আর কোন সমাবর্তন পাইনি বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তবে দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে চলতি বছরের ডিসেম্বরে আরো একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে।