jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» জগন্নাথপুরে মিরপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শেরীন বিশাল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত «» ছাত্র মজলিস শ্যামপুর থানার বার্ষিক কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত «» জগন্নাথপুরে রাত পোহালেই ভোট যুদ্ধ শুরু ॥ কে হচ্ছেন সেই ভাগ্যবান চেয়ারম্যান «» ছাতকের কিলবার্ণ এন্ড হামস্টেড মুসলিম কালচারাল সেন্টারের ইমাম ও খতিবকে সংবর্ধনা «» ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহযোগী সদস্য সমাবেশে আবাসিক হলগুলোতে গড়ে ওঠা টর্চার সেল ধ্বংস করতে হবে: ছাত্র মজলিস «» ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরী উত্তরের বার্ষিক সহযোগী সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত «» প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি নিয়ে কটাক্ষ, সিলেটের মোগলবাাজার থেকে আটক ১ «» ছাত্রলীগের মিছিলে খুনের রক্ত: ভিপি নুর «» ছাত্র জমিয়তের মতবিনিময় সভায় অাগামি ১১ জানুয়ারী সিলেট বিভাগীয় সদস্য সম্মেলন ঘোষণা «» ফেসবুক ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে শাহীনুর পাশা চৌধুরীর কিছু কথা



বিশ্বনাথে সকালে ক্লাস, বিকেলে ভ্যানগাড়িতে দোকানদারি

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ :: সিলেটের বিশ্বনাথ সরকারি ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী জুবেল মিয়ার জীবন যুদ্ধে হার না মানা একজন সৈনিক। প্রতিনিয়তই করে যাচ্ছেন দারিদ্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। তিনি সকালে কলেজে ক্লাস শেষে বিকেলে দোকানদারি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে কলেজে ক্লাসে যান তিনি। প্রতিদিন ক্লাস শেষেই ভ্যানগাড়ি নিয়ে নেমে পড়েন সড়কে এক পাশ থেকে অপর পাশে সবজি চাষাবাদের বিভিন্ন ধরনের প্যাকেট বীজ ক্ষুদ্র ব্যবসায়। জুবেল আহমদ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের মৃত জমির আলীর ছেলে। বর্তমানে উপজেলা সদরের পুরান বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় মা-দুই ভাই-দুই বোনদের নিয়ে বসবাস করে আসছেন। তিনি ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট। তবে এলাকার লোকজন তাকে মেম্বার নামে ডাকেন এবং সবাই চিনেন।

উপজেলা সদরের পুরান বাজার এলাকায় জুবেল মিয়ার সঙ্গে দেখা হলে তিনি জানান, তাঁর বয়স যখন ১৮ মাস ছিল, তখন তাঁর পিতা মারা যান। এরপর তিনি মা-ভাই-বোনের আদরে বড় হন। অনেক কষ্ট করে লেখা পড়া শুরু করেন। এসএসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীন হয়ে এবার বিশ্বনাথ সরকারি ডিগ্রি কলেজে মানবিক বিভাগে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি হয়েছেন। প্রতিদিন সকালে ক্লাস ছুটে যান, আর বিকেলে নেমে পড়েন ব্যবসায়। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে তার বড় ভাই সাহেদ আলীর সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসা করে আসছেন তিনি। লেখা-পড়ার পাশা-পাশি তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। এর পর থেকেই শুরু হয় তাঁর কর্মব্যস্ততা। তবে ফল মৌসুমে ফল, শীত মৌসুমে সবজির বীজ বিক্রয় করেন তিনি। তারা দুই ভাই দুটি ভ্যান গাড়ি করে উপজেলা সদরের এ ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তারা প্রায় ২৫ হাজার টাকা নিয়ে এসব ব্যবসা শুরু করেছেন। এতে প্রতিদিন তিনি ৫শ থেকে ৬শ টাকার বীজ বিক্রয় করে আসছেন। এরআগে ফল বিক্রয় করেছেন। পড়াশোনার খরচ জোগাতে হিমশিম খেতে হতো তাঁকে। দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা জুবেল মিয়া। প্রতিদিন ব্যবসায়ী কাজ শেষে নিজ কক্ষে ফিরে পড়াশোনায় মনোযোগ দেন। ছোট দোকানের আয় থেকে নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি পরিবারকেও সহায়তা করেন তিনি। জুবেল নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বলেন, লেখা পড়া করে উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি সফল উদ্যোক্তাদের কাতারে পৌঁছাতে চাই।