jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» দক্ষিণ সুনামগঞ্জে অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম আর নেই «» সুনামগঞ্জে ধানের বিকল্প হিসেবে চাষ হচ্ছে ভুট্টা, সরিষা ও সূর্যমুখী «» ঘুষের টাকা জোগাড় করতে গোপনে ২ বিয়ে, স্ত্রীদের টানা-হেঁচড়ায়… «» মৌলভীবাজারে আ.লীগের সভা বর্জন : যা বললেন শফিক «» জগন্নাথপুরে হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতায় সিলেট বিভাগের ২০০জন অংশ নিয়ে ২০জন বিজয়ী «» ভালো স্কুল-কলেজের সন্ধানে সুনামগঞ্জ ছাড়ছে অনেক পরিবার «» গোলাপগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে বিদায়ী অধ্যক্ষের মতবিনিময় «» শেখ হাসিনা কখনো ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন করেন না: সিলেটে শফিক «» বিশ্বনাথে কৃষি উদ্যোক্তা তৈরী শীর্ষক বৈঠক অনুষ্ঠিত «» জগন্নাথপুরে অধ্যক্ষ ছমির উদ্দিন ও ড. সৈয়দ রেজওয়ান আহমদকে গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান



জগন্নাথপুরে সাঁকোই ভরসা দুই ইউনিয়নের মানুষের

জেএসবি টুয়েন্টিফোর ডেস্ক :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের সাথে আশারকান্দি ইউনিয়নের সংযোগ স্থাপনকারী সড়কে ব্রীজ না থাকায় আহমদাবাদ, বুড়াইয়া, পাটকুড়া, সোনাতনপুর, কুড়িহাল গ্রাম সহ আশে পাশের কয়েকটি গ্রামের জনসাধারন, শিক্ষার্থীরা একটি বাঁশের সাকো দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। জনদূর্ভোগ চরম আকার ধারন করছে।

 

 

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আহমদাবাদ, বুড়াইয়া, পাটকুড়া, সোনাতনপুর, কুড়িহাল গ্রাম সহ আশে পাশের কয়েকটি গ্রামের জনসাধারন ও শিক্ষার্থীরা চলাচলের একমাত্র রাস্তায় রত্না নদীর উপর বাঁশের সাকো দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। বাঁশের সাকো থেকে পড়ে অনেক সময় দূর্ঘটনা ঘটছে। বর্তমান সরকারের সময়ে উপজেলার গ্রামীন রাস্তা, ঘাট, ব্রীজ হলেও প্রায় ১০ বছর ধরে অত্র এলাকার রাস্তায় সরকারি কাজ হয় নাই। ২৪ লক্ষ্য টাকা ব্যায়ে প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তায় প্রবাসীদের অর্থায়নে কাজ করা হয়েছে। অত্র এলাকার একমাত্র প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সোনাতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা বাঁশের সাকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা সম্ভবনা রয়েছে। কুড়িহাল আহমদাবাদের মধ্যবর্তী রত্না নদীর উপর ব্রীজের জন্য পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপিরএর বরাবরে দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে।

 

 

আয়েশা সিদ্দিকা মহিলার মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা সামসুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক মাওলানা হারুন রশিদ, আহমাদাবাদ জামে মসজিদের মুতায়াল্লি হাজী মো. কাছা মিয়া, কুরিহাল গ্রামের মুরুব্বি আলহাক মিয়া সহ আরো অনেকে ক্ষোভের সাথে বলেন, আমাদের দুটি ইউনিয়নের সংযোগ স্থাপনকারী সড়কে রত্না নদীর উপর একটি ব্রীজ জরুরী। বর্তমান ডিজিটাল যুগে বাঁশের সাকো ও নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। প্রবাসীদের অর্থায়নে গ্রামের রাস্তায় মাটি ভরাট করা হয়েছে। এখন ব্রীজটি হলে আমরা ও আমাদের স্কুল ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্টানে যাতায়াত করতে সমস্যায় পড়তে হবেনা।এ ব্যাপারে জগন্নাথপুরের উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার বলেন, আহমদাবাদ, বুড়াইয়া, পাঠকুরা, সোনাতনপুর, কুড়িহাল গ্রামের চলাচলকারী জনসাধারনের জন্য একটি ব্রীজ দেওয়ার জন্য একটি আবেদন পেয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।