jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» খেলাফত মজলিসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সভায় জ্বালানী তেল ও বিদ্যুতের দাম আবারো বৃদ্ধি করা হলে গণবিস্ফোরণ ঘটবে- মাওলানা ইসহাক «» আ.লীগে এখন নেতার শেষ নেই, নেতা আছে, কর্মী পাওয়া যায় না- ওবায়দুল কাদের «» বিএনপির ৭ নেতাকর্মী আটক «» জগন্নাথপুর সরকারি কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান «» সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা «» শায়খুল হাদিস রহ. ইস্যুতে ক্ষমা চাইল যমুনা টিভি «» ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলবে ভারত! «» সিলেটে আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে স্বাগত জানিয়ে জেলা যুবলীগের প্রচার মিছিল «» শাইখুল হাদীসকে নিয়ে যমুনা টিভির কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে ইসলামী সর্বদলীয় সংবাদ সম্মেলন «» লন্ডনে ২য় ভাষার মর্যাদা পেল ‘বাংলা’



কমলগঞ্জে কোচিং বাণিজ্যের খবর সংগ্রহকালে সাংবাদিক অবরুদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের এক উচ্চ বিদ্যালয়ে বিশেষ ক্লাসের নামে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগের খবর সংগ্রহকালে শিক্ষার্থীদের দিয়ে সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকাল ৮ টায় তেতইগাঁও রশিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ ওয়াহিদ রুলুর নেতৃত্বে ৫ জন সাংবাদিক সরেজমিন ঐ বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর অবরুদ্ধ হন।

 

জানা যায়, বিদ্যালয়ের শিক্ষক তমিজুর রহমান, শিক্ষক কামাল উদ্দিন ও শিক্ষক আবুল কালাম বিদ্যালয়ের কক্ষে আলাধা ভাবে বিশেষ ক্লাসের নামে কোচিং করে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কোচিং চলাকালীন সময়ে ছবি তুলতে চাইলে কোচিং এর শিক্ষকরা সাংবাদিকদের বাঁধা প্রদান করেন। পরে কোচিং বানিজ্যের সম্পর্কে জানতে চাইলে শিক্ষকরা কোচিং রুম থেকে চলে গিয়ে শিক্ষার্থীসহ বহিরাগতদের দিয়ে সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক তালাবদ্ধ করে অবরোদ্ধ করে রাখেন। এ সময় বহিরাগতসহ শিক্ষার্থীরা ধাওয়া করে সাংবাদিকদের উপর। পরে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির হস্তক্ষেপে সাংবাদিকরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোচিং এর শিক্ষার্থীরা জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষক তমিজুর রহমান ও কামাল উদ্দিন প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিমাসে পাঁচশত টাকা করে ফি আদায় করেন। অন্যতায় পরীক্ষায় নাম্বার দেওয়া হবে না বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে থাকেন। এজন্য বাধ্য হয়ে ইংরেজি ও গণিত শিক্ষককে প্রতি মাসে টাকা প্রদান করতে হয়। তাও সপ্তাহের প্রতি ১ দিন ক্লাস করেন শিক্ষার্থীরা। কোচিং এর টাকা দিতে না পেরে গরিব শিক্ষার্থীরা অসহায় পড়ছে। এ ঘটনায় অভিযোক্ত শিক্ষকদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে তাদেরকে পাওয়া যায়নি।

 

তেতইগাঁও রশিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাবু বলেন, স্কুলে বিশেষ ক্লাসের নামে কোচিং বাণিজ্য হয়ে থাকলে তাদের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

কমলগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামছুন্নাহার বেগম জানান, বর্তমানে কোচিং বানিজ্য নিষিদ্ধ রয়েছে। কোথাও কোচিং চলার কথা নয়। যদি কোন শিক্ষক কোচিং করেন তাদের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা অবরোদ্ধ এমন কোন অভিযোগ পাইনি। সাংবাদিক অবরুদ্ধের খবর খোজ নিয়ে দেখতেছি। তদন্ত স্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

মৌলভীবাজার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ এস এম আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, শিক্ষকরা সরকারী নীতিমালা লঙ্গনে কোচিং বাণিজ্য করলে তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।