jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» মৌলভীবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা «» দক্ষিণ সুনামগঞ্জে রাস্থার কাজে বাঁধা প্রদানে থানায় অভিযোগ দায়ের «» যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে ২২০ নারী প্রার্থীর রেকর্ড জয় «» খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলায় ওয়ার্ড প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত «» সিলেট জেলা ছাত্র জমিয়তের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন «» সিলেটে বিএনপির বিক্ষোভ, ককটেল বিষ্ফোরন, আটক ৩ «» কমলগঞ্জে ৫শ’ দরিদ্র পরিবারের মধ্যে কম্বল বিতরণ «» ছাতকে দুর্নীতিবাজ মাদ্রাসার সুপারের অপসারনের দাবীতে এলাকাবাসির মানববন্ধন «» গোয়াইনঘাটের দুইজনশ্রেষ্ট সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত «» ওসমানীনগর থেকে অস্ত্রসহ শহীদ ডাকাত গ্রেফতার



মৌলভীবাজারে বন্যায় হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদক :: মৌলভীবাজার জেলা দিয়ে বয়েছে মনু, কুশিয়ারা ও ধলাই নদী। এই তিন নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব নদ-নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে মৌলভীবাজারের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে ও উপচে সদর উপজেলা, রাজনগর ও কমলগঞ্জের কয়েকশত গ্রাম তলিয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাট ও ফসলি জমি। দুর্গতদের মধ্যে দেয়া হচ্ছে ত্রাণ সহায়তা। পানি ঢুকেছে প্রায় ৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সর্বশেষ ১৫ জুলাই রাত ১১.৫৯ মিনিটে মৌলভীবাজারের মনুনদী রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে বিপদ সীমার ৭৬ সেন্টিমিটার ও চাঁদনীঘাট পয়েন্টে ৯৭ সেন্টিমিটার, ধলাই নদী ৯ সেন্টিমিটার ও কুশিয়ারা নদী মৌলভীবাজার অংশে শেরপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানায় পাউবো।

 

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) মৌলভীবাজার কার্যালয় সূত্র জানায়, গত কয়েকদিনে কমলগঞ্জের রহিমপুর ইউনিয়ন, কমলগঞ্জ পৌরসভার, আমদপুর ইউনিয়ন, রহিমপুর ইউনিয়নের কয়েকটি স্থানে বাধ ভেঙে প্রায় শতটি গ্রামে পানি প্রবেশ করে । কুশিয়ার পানি বৃদ্ধি পেয়ে সদর উপজেলার খলিলপুর, আখাইলকুড়া ও মুনমুখ ইউনিয়নে কয়েখটি গ্রাম পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর, উত্তরভাগ ও কামারচাক ইউনিয়নে কুশিয়ারা ও ধলাই নদীর পানিতে আকস্মিক বন্যায় কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়াও শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিলাসপার এলাকায় পাহাড়ি ঢলে ছড়ার পানিতে ৫টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

 

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ঢল ও বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় জেলার ৪৬ হাজার মানুষ রয়েছেন পানিবন্দি অবস্থায়। তাদের মাঝে ৩৬ টন চাল ও এক হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে এবং সদর উপজেলার শেরপুরে দুটি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলায় ১৭৪ হেক্টর আউশ ধান আক্রান্ত হয়েছে এবং ৫৯ হেক্টর আউশের বীজতলা পানিতে তলিয়ে গেছে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী জানান, পানি নামার পরই ধলাই নদের তিনটি ভাঙনস্থান মেরামত করা হবে। মনু, ধলাই ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।