jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি গ্রহণ «» শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের দিকে: সাংসদ মানিক «» কমলগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ত্রাণ পাচ্ছে না পানিবন্দি পরিবার «» মৌলভীবাজারে বন্যায় হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি «» সিলেটের প্রতিটি থানা হবে অসহায়-নির্যাতিত মানুষের আশ্রয়স্থল- পুলিশ সুপার «» জগন্নাথপুরে বাড়িঘরে পানি : মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলছে «» গোলাপগঞ্জে তরুণী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী আটক «» বিশ্বনাথ থেকে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেয়া সেই তরুণের লাশ উদ্ধার «» গোয়াইনঘাটে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য আটক «» সুনামগঞ্জে আতংকে বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিচ্ছেন আত্মীয়ের বাড়িতে



ঘুষ চাহিদামতো না পেয়ে এক দিনমজুরকে পেটালেন থানা পুলিশ

ডেস্ক রিপোর্ট :: রাজশাহীর দুর্গাপুরে চাহিদামতো ঘুষ না পেয়ে সাইদুল ইসলাম নামের এক দিনমজুরকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার হোজা অনন্তকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সাইদুল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

অভিযোগ ওঠা পুলিশের এএসআই মোহাম্মদ হাফিজ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তবে ঘটনা শুনে হাসপাতালে গিয়ে আহত সাইদুলের সঙ্গে কথা বলেছেন দুর্গাপুর থানার ওসি আবদুল মোতালেব। তিনি বলেন, “বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে এএসআই হাফিজ তাঁকে (সাইদুল) একটা আঘাত করেছেন। তেমন কিছু নয়, বড় কোনো ইনজুরি হয়নি। হাত-পা ভাঙেনি।”

দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আসফাক হোসেন বলেন, “সাইদুলের বাঁ পায়ে আঘাতের চিহ্ন আছে।”

হাসপাতালে সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তাঁর ছেলে আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্গাপুর থানায় নারী নির্যাতনের অভিযোগ দেন পুত্রবধূ। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এএসআই হাফিজ তাঁর ছেলেকে আটক করে নিয়ে যান। পরে যোগাযোগ করলে ছেলেকে ছাড়ানোর জন্য থানার পরিবর্তে হোজা অনন্তকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে যেতে বলেন হাফিজ। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানে গেলে ছেলেকে ছাড়ানোর জন্য সাইদুলের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন এএসআই। সাইদুল এত টাকা দিতে পারবেন না জানালে এএসআই হাফিজ ক্ষুব্ধ হয়ে গালিগালাজ শুরু করেন। তখন সাইদুল নিজের কাছে থাকা নয় শ টাকা বের করে পুলিশ কর্মকর্তাকে দেন। এতে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে মোটা বাঁশের লাঠি দিয়ে সাইদুলের বাঁ পায়ে আঘাত করেন হাফিজ। এক আঘাতেই লাঠিটি ভেঙে যায়। আশেপাশে তখন সাইদুলের ছেলেসহ আরও লোকজন ছিল। এরপর সাইদুলের ছেলেকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে চলে যান এএসআই। পরে স্থানীয় লোকজন সাইদুলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। রাতেই অবশ্য ছেলেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
যে বাঁশ দিয়ে মেরেছেন, সে বাঁশটিই ভেঙে গেছে জানালে ওসি বলেন, “না না, বাঁশ নয়, একটা কঞ্চি দিয়ে মেরেছে।” হাত–পা ভাঙুক আর না ভাঙুক, পুলিশ কাউকে মারতে পারে কি না জানতে চাইলে ওসি কোনো জবাব দেননি। সুত্র: জনকন্ঠ নিউজ