jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» জগন্নাথপুরে মিরপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শেরীন বিশাল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত «» ছাত্র মজলিস শ্যামপুর থানার বার্ষিক কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত «» জগন্নাথপুরে রাত পোহালেই ভোট যুদ্ধ শুরু ॥ কে হচ্ছেন সেই ভাগ্যবান চেয়ারম্যান «» ছাতকের কিলবার্ণ এন্ড হামস্টেড মুসলিম কালচারাল সেন্টারের ইমাম ও খতিবকে সংবর্ধনা «» ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহযোগী সদস্য সমাবেশে আবাসিক হলগুলোতে গড়ে ওঠা টর্চার সেল ধ্বংস করতে হবে: ছাত্র মজলিস «» ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরী উত্তরের বার্ষিক সহযোগী সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত «» প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি নিয়ে কটাক্ষ, সিলেটের মোগলবাাজার থেকে আটক ১ «» ছাত্রলীগের মিছিলে খুনের রক্ত: ভিপি নুর «» ছাত্র জমিয়তের মতবিনিময় সভায় অাগামি ১১ জানুয়ারী সিলেট বিভাগীয় সদস্য সম্মেলন ঘোষণা «» ফেসবুক ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে শাহীনুর পাশা চৌধুরীর কিছু কথা



ঘুষ চাহিদামতো না পেয়ে এক দিনমজুরকে পেটালেন থানা পুলিশ

ডেস্ক রিপোর্ট :: রাজশাহীর দুর্গাপুরে চাহিদামতো ঘুষ না পেয়ে সাইদুল ইসলাম নামের এক দিনমজুরকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার হোজা অনন্তকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সাইদুল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

অভিযোগ ওঠা পুলিশের এএসআই মোহাম্মদ হাফিজ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তবে ঘটনা শুনে হাসপাতালে গিয়ে আহত সাইদুলের সঙ্গে কথা বলেছেন দুর্গাপুর থানার ওসি আবদুল মোতালেব। তিনি বলেন, “বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে এএসআই হাফিজ তাঁকে (সাইদুল) একটা আঘাত করেছেন। তেমন কিছু নয়, বড় কোনো ইনজুরি হয়নি। হাত-পা ভাঙেনি।”

দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আসফাক হোসেন বলেন, “সাইদুলের বাঁ পায়ে আঘাতের চিহ্ন আছে।”

হাসপাতালে সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তাঁর ছেলে আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্গাপুর থানায় নারী নির্যাতনের অভিযোগ দেন পুত্রবধূ। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এএসআই হাফিজ তাঁর ছেলেকে আটক করে নিয়ে যান। পরে যোগাযোগ করলে ছেলেকে ছাড়ানোর জন্য থানার পরিবর্তে হোজা অনন্তকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে যেতে বলেন হাফিজ। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানে গেলে ছেলেকে ছাড়ানোর জন্য সাইদুলের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন এএসআই। সাইদুল এত টাকা দিতে পারবেন না জানালে এএসআই হাফিজ ক্ষুব্ধ হয়ে গালিগালাজ শুরু করেন। তখন সাইদুল নিজের কাছে থাকা নয় শ টাকা বের করে পুলিশ কর্মকর্তাকে দেন। এতে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে মোটা বাঁশের লাঠি দিয়ে সাইদুলের বাঁ পায়ে আঘাত করেন হাফিজ। এক আঘাতেই লাঠিটি ভেঙে যায়। আশেপাশে তখন সাইদুলের ছেলেসহ আরও লোকজন ছিল। এরপর সাইদুলের ছেলেকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে চলে যান এএসআই। পরে স্থানীয় লোকজন সাইদুলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। রাতেই অবশ্য ছেলেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
যে বাঁশ দিয়ে মেরেছেন, সে বাঁশটিই ভেঙে গেছে জানালে ওসি বলেন, “না না, বাঁশ নয়, একটা কঞ্চি দিয়ে মেরেছে।” হাত–পা ভাঙুক আর না ভাঙুক, পুলিশ কাউকে মারতে পারে কি না জানতে চাইলে ওসি কোনো জবাব দেননি। সুত্র: জনকন্ঠ নিউজ