jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি গ্রহণ «» শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের দিকে: সাংসদ মানিক «» কমলগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ত্রাণ পাচ্ছে না পানিবন্দি পরিবার «» মৌলভীবাজারে বন্যায় হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি «» সিলেটের প্রতিটি থানা হবে অসহায়-নির্যাতিত মানুষের আশ্রয়স্থল- পুলিশ সুপার «» জগন্নাথপুরে বাড়িঘরে পানি : মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলছে «» গোলাপগঞ্জে তরুণী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী আটক «» বিশ্বনাথ থেকে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেয়া সেই তরুণের লাশ উদ্ধার «» গোয়াইনঘাটে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য আটক «» সুনামগঞ্জে আতংকে বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিচ্ছেন আত্মীয়ের বাড়িতে



বিশ্বনাথে কিশোরীর মৃত্যু নিয়ে রহস‌্যের সৃষ্টি

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে আমিনা বেগম (১৪) নামের এক কিশোরীর মৃত্যু নিয়ে ধুমজাল সৃষ্টি হয়েছে। সে বিশ্বনাথ উপজেলার সাতপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। ৮ভাই ও ২ বোনের মধ্যে আমিনা সবার ছোট। হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে যেমন রহস্য তেমনি এলাকায় নানা গুঞ্জনও রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে প্রেমের কারণেই বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। তবে, গ্রামের লোকজন প্রেম ও বিষপানের বিষয় জানালেও আমিনার পরিবারের লোকজন বিষপানের বিষয়টিও অস্বীকার করেছেন। তারা ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যও দিয়েছেন। ঘটনা গত ৮জুন শনিবারের হলেও ওই কিশোরীর মৃত্যু নিয়ে সপ্তাহ ধরে এলাকায় নানা গুঞ্জনসহ ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্ঠি হয়েছে। এ ঘটনায় পরদিন রোববার রাতে আমিনার ভাই আব্দুস সালাম থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং ১৩/১৯ইং)।

সরেজমিন গ্রামে গিয়ে জানাগেছে, একই গ্রামের সমছুদ্দিনের মেঝো ছেলে শফিক মিয়ার কাছে আমিনার বড়বোন সেলিনার বিয়ে দেওয়া হয়। আত্মীয়তার সুবাদে শফিকের ছোটভাই রশিক আলীর সঙ্গে আমিনার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এনিয়ে দু’পরিবারেই অশান্তি বিরাজ করে। পারিবারিকভাবে বিষয়টি মেনে নিতে না পারায় আমিনার ওপর চরম নির্যাতন করা হয়। অবশেষে গত ৭জুন শুক্রবার বিকেলে প্রেমিক তালতোভাই রশিক আলীর উপস্থিতিতে দুই পরিবারের লোকজন মিলে বৈঠক করা হয়। ওই বৈঠকেও বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় পরদিন শনিবার রাতে রহস্যজনকভাবে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যাথার কথা বলে আমিনাকে সিলেট ওসমনাী হাসপাতালে নিয়ে যান তার মা সুনারুন বেগম, ভাই আবুল হাসনাত ও দুলাভাই শফিক মিয়া। হাসপতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকের সন্দেহ হলে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডাকা হয়। এসময লাশ রেখেই তারা হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান।
পরবর্তিতে স্থানীয় চেয়ারম্যান আমির আলীর মাধ্যমে থানায় খবর দিলে থানার এসআই মিজানুর রহমান হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করেন। পরে ময়না তদন্ত শেষে রোববার রাতে আমিনার লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়।
গ্রামের মুরব্বি জমির আলী, হাবিবুর রহমান, হারুনুর রশীদ, সেবুল মিয়াসহ অনেকেরই দাবি নির্যাতনের কারণেই বিষপান করেছে।
মা সুনারুন বেগম, ভাই আব্দুস সালাম, আবুল হাসনাত তাদের বাড়িতে বৈঠক, প্রেম ও বিষপানের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি ওসমানী হাসপাতালের ডাক্তার না বুঝে অঝতা হয়রানি করতে লাশের ময়না তদন্ত করিয়েছেন।