jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» জগন্নাথপুরে পত্রিকা বিক্রেতা নিকেশের দুর্দিন «» শায়েস্তাগঞ্জে প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল «» বাবা নির্যাতন করায় মায়ের বিয়ে দিল ছেলে «» ঘুষ চাহিদামতো না পেয়ে এক দিনমজুরকে পেটালেন থানা পুলিশ «» মিশরের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হাফিজ শহীদ মুরসির সর্বশ্রেষ্ঠ ডিগ্রী অর্জন «» বিশ্বনাথে কিশোরীর মৃত্যু নিয়ে রহস‌্যের সৃষ্টি «» সিলেট চেম্বারের নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন নাসির উদ্দিন খান «» ক্রিকেটের ইতিহাসে এই প্রথম পাহাড় ডিঙিয়ে জয় পেল বাংলাদেশ «» দক্ষিণ সুনামগঞ্জে বিল ব্যবহারকারী সংগঠনের সদস্যদের লভ্যাংশ বিতরণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় «» ‘খালেদা জিয়াকে জামিন দেওয়ার দায়িত্ব আদালতের’



মাগফেরাতের নবম দিন আজ

আতিকুর রহমান নগরী: আজ ১৯ রমজান  ১৪৪০ হিজরী। মাগফিরাত দশকের আর মাত্র এক দিন বাকী। আগামীকাল ২০ রমযান সূর্যাস্তের পূর্বেই এতেকাফকারীদের এতেকাফের স্থানে পৌঁছতে হবে।

এতেকাফ, যার অর্থ অবস্থান করা, স্থির থাকা। দুনিয়াদারী কাজকর্ম ও পরিবার পরিজন থেকে মসজিদ অথবা ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করাকে শরীয়তের ভাষায় এতেকাফ বলা হয়।

এতেকাফ সুন্নাতে মুআক্কাদাহ কিফায়া। উম্মুল মুমিনীন আয়শা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রমযানের তৃতীয় দশকে রাসুলে মাকবুল সা. সারারাত জেগে থাকতেন।
নিজ পরিবার পরিজনকে ইবাদত বন্দেগীতে মশগুল রাখার জন্য জাগিয়ে রাখতেন।

এতেকাফের গুরুত্ব : ২০ রমজান সুর্যাস্তের কিছুর পূর্ব থেকে ২৯ অথবা ৩০ তারিখ অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখার তারিখের সুর্যাস্ত পর্যন্ত পুরুষের জন্য মসজিদে এবং মহিলাদের জন্য নিজ গৃহে নামাযের নির্ধারিত স্থানে নিয়মিত একাধারে অবস্থান করাকে এতেকাফ বলে। রমযানের শেষ দশকের এই এতেকাফকে সুন্নাতে মুয়াক্কাদায়ে ক্বেফায়া। মসজিদ ভিত্তিক পাড়া/মহল্লার একজনকে হলেও এই এতেকাফ অবশ্যই করতে হবে। অন্ততপক্ষে যদি পাড়া/মহল্লার কোন এক ব্যক্তি এই এতেকাফ করে নেয়, তবে সকল মহল্লাবাসীর পক্ষ হতে এতেকাফের দায়িত্ব আদায় হবে।

কিন্তু মহল্লাবাসীদের পক্ষ হতে একজনও যদি এতেকাফ না করে তবে এই দায়িত্বের প্রতি অবহেলার কারণে সমস্ত এলাকাবাসী গোনাহগার হবেন (শামী) কাজেই সকল মসজিদ ভিত্তিক মহল্লাবাসীর উপর এই দায়িত্ব অর্পিত হয় যে, পূর্ব হতে তাঁরা খোঁজ খবর নিয়ে দেখবে আমাদের মসজিদে কেউ এতেকাফ করবে কিনা? যদি এমন পাওয়া না যায়, তাহলে চিন্তা ভাবনা ও আলাপ আলোচনা করে কাউকে অবশ্যই এতেকাফে বসাতে হবে।

হিজরতের পর প্রিয়নবী সা. এতেকাফ ছাড়েন নি। এ ব্যাপারে সাহাবীদের উৎসাহিত করেছেন। এজন্য মুফতিগণ এ এতেকাফকে সুন্নাতে মুআক্কাদায়ে কেফায়া বলেছেন। যাদের সময় ও সুযোগ আছে তারা এতেকাফের প্রস্তুতি নিন। মহান আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে তাওফীক দান করেন। আমীন।