jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» জগন্নাথপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে ৩৫টি মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত «» ছাত্র মজলিসের উদ্যােগে ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন «» বিয়ানীবাজারে এবার আরো দু’জনের করোনা শনাক্ত «» বিশ্বনাথে বাড়ির ছাদে গাঁজা চাষ, যুবক আটক «» বিশ্বনাথে কর্মস্থলে আসার পথিমধ্যে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মাদ্রাসা শিক্ষক «» শ্রীমঙ্গলে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণকারী মুক্তিযোদ্ধা বিকাশ দত্ত’র সৎকার করেছে একরামুল মুসলিমীন টিম «» ছাতকে নদী ভাঙ্গন পরিদর্শনে ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহিদ আলী «» জুড়ীতে করোনায় একজনের মৃত্যু, সেবা করতে গিয়ে অারেকজন আক্রান্ত «» শ্রীমঙ্গলে করোনায় কাউন্সিল আব্দুল আহাদের মৃত্যু, দাফন-কাফন করেছে ইকরামুল মুসলিমীন ফাউন্ডেশন «» সুনামগঞ্জে এডিশনাল এসপি জয়নাল আবেদিনের করোনা রিপোট নেগেটিভ জেলাবাসী স্বস্তি



মাগফেরাতের নবম দিন আজ

আতিকুর রহমান নগরী: আজ ১৯ রমজান  ১৪৪০ হিজরী। মাগফিরাত দশকের আর মাত্র এক দিন বাকী। আগামীকাল ২০ রমযান সূর্যাস্তের পূর্বেই এতেকাফকারীদের এতেকাফের স্থানে পৌঁছতে হবে।

এতেকাফ, যার অর্থ অবস্থান করা, স্থির থাকা। দুনিয়াদারী কাজকর্ম ও পরিবার পরিজন থেকে মসজিদ অথবা ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করাকে শরীয়তের ভাষায় এতেকাফ বলা হয়।

এতেকাফ সুন্নাতে মুআক্কাদাহ কিফায়া। উম্মুল মুমিনীন আয়শা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রমযানের তৃতীয় দশকে রাসুলে মাকবুল সা. সারারাত জেগে থাকতেন।
নিজ পরিবার পরিজনকে ইবাদত বন্দেগীতে মশগুল রাখার জন্য জাগিয়ে রাখতেন।

এতেকাফের গুরুত্ব : ২০ রমজান সুর্যাস্তের কিছুর পূর্ব থেকে ২৯ অথবা ৩০ তারিখ অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখার তারিখের সুর্যাস্ত পর্যন্ত পুরুষের জন্য মসজিদে এবং মহিলাদের জন্য নিজ গৃহে নামাযের নির্ধারিত স্থানে নিয়মিত একাধারে অবস্থান করাকে এতেকাফ বলে। রমযানের শেষ দশকের এই এতেকাফকে সুন্নাতে মুয়াক্কাদায়ে ক্বেফায়া। মসজিদ ভিত্তিক পাড়া/মহল্লার একজনকে হলেও এই এতেকাফ অবশ্যই করতে হবে। অন্ততপক্ষে যদি পাড়া/মহল্লার কোন এক ব্যক্তি এই এতেকাফ করে নেয়, তবে সকল মহল্লাবাসীর পক্ষ হতে এতেকাফের দায়িত্ব আদায় হবে।

কিন্তু মহল্লাবাসীদের পক্ষ হতে একজনও যদি এতেকাফ না করে তবে এই দায়িত্বের প্রতি অবহেলার কারণে সমস্ত এলাকাবাসী গোনাহগার হবেন (শামী) কাজেই সকল মসজিদ ভিত্তিক মহল্লাবাসীর উপর এই দায়িত্ব অর্পিত হয় যে, পূর্ব হতে তাঁরা খোঁজ খবর নিয়ে দেখবে আমাদের মসজিদে কেউ এতেকাফ করবে কিনা? যদি এমন পাওয়া না যায়, তাহলে চিন্তা ভাবনা ও আলাপ আলোচনা করে কাউকে অবশ্যই এতেকাফে বসাতে হবে।

হিজরতের পর প্রিয়নবী সা. এতেকাফ ছাড়েন নি। এ ব্যাপারে সাহাবীদের উৎসাহিত করেছেন। এজন্য মুফতিগণ এ এতেকাফকে সুন্নাতে মুআক্কাদায়ে কেফায়া বলেছেন। যাদের সময় ও সুযোগ আছে তারা এতেকাফের প্রস্তুতি নিন। মহান আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে তাওফীক দান করেন। আমীন।