jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» দক্ষিণ সুনামগঞ্জে অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম আর নেই «» সুনামগঞ্জে ধানের বিকল্প হিসেবে চাষ হচ্ছে ভুট্টা, সরিষা ও সূর্যমুখী «» ঘুষের টাকা জোগাড় করতে গোপনে ২ বিয়ে, স্ত্রীদের টানা-হেঁচড়ায়… «» মৌলভীবাজারে আ.লীগের সভা বর্জন : যা বললেন শফিক «» জগন্নাথপুরে হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতায় সিলেট বিভাগের ২০০জন অংশ নিয়ে ২০জন বিজয়ী «» ভালো স্কুল-কলেজের সন্ধানে সুনামগঞ্জ ছাড়ছে অনেক পরিবার «» গোলাপগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে বিদায়ী অধ্যক্ষের মতবিনিময় «» শেখ হাসিনা কখনো ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন করেন না: সিলেটে শফিক «» বিশ্বনাথে কৃষি উদ্যোক্তা তৈরী শীর্ষক বৈঠক অনুষ্ঠিত «» জগন্নাথপুরে অধ্যক্ষ ছমির উদ্দিন ও ড. সৈয়দ রেজওয়ান আহমদকে গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান



সহযোগীতার কল্পিত অজুহাতে ষড়যন্ত্রের শিকার মাওলানা এনামুল হাসান…

মাওলানা এনামুল হাসানের গ্রেফতার নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাংবাদিক দেলওয়ার হোসেন যা হুবুহু তুলে ধরা হলো…

 

সাড়ে তিনকোটি দিয়ে দিয়েছেন! এইগুলো টাকা না টিকি? ভাগ্য ভালো। এটি বাংলাদেশ। নইলে এই কোটি কোটি কোত্থেকে পেলেন সেই হিসাব আগেই দিতে হতো। তারপর অন্যকে দেয়ার প্রমাণ! কিন্তু..

 

সোনার বাংলাদেশে সবই সম্ভব। ভুতুড়ে গল্প সাজায়ে যা ইচ্ছা তাই লিখে মামলা ঠুকে দেয়া যায়। দিলেই হলো। তাতে সত্য বেরুনোর আগে লাঠি আনতে আনতে কিলে শেষ হওয়ার মতো দশা আর কি।

 

বলছি, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের এনামুল হাসানের কথা। একজন ভালো মানুষ সন্দেহ নেই। আপনারা যারা কাছে আছেন এই কথিত কাহিনীর নিগুঢ় তথ্য বের করেন। আমি হলফ করে বলতে পারি, দেখবেন, যিনি আজ গ্যাঁড়াকলে ফেলেছেন এনামুল হাসান হয়তো কোন একসময় সেই ব্যক্তির উপকার করেছেন এবং সেজন্যই এই জেল ও জিল্লতি ।

 

এইগুলো পাওনা। উপকারীরে এভাবেই বাঘে খায়।

আপনি হয়তো মন খারাপ করতে পারেন। আমি কিন্তু এনামুল হাসানের মুক্তি চাইনা। আমি চাই সাড়ে তিনকোটির হদিস। যিনি দিয়েছেন, কোত্থেকে পেলেন- আর কোথায় -কিভাবে দিয়েছেন তার প্রমাণ? সর্বোপরি এতগুলো টাকা দাতার কোন ব্যাংক একাউন্টে জমা ছিল এবং পাওয়ার উৎসটা কি?

 

আইনানুযায়ী মামলার বাদীকে এইসব প্রশ্নের জবাব অবশ্যই দিতেই হবে- প্রমাণ করতেই হবে। মুখে বললেই হবেনা, ডকুমেন্ট লাগবে। আর আপাতত হয়রানি আর কষ্ট দেয়ার নাম মামলা নয়। মনে রাখা উচিত, এনামুল হাসান জামিন পেলেও শেষ হবে না। একটা কথা আছে, মামলা ঠুকা আর ঢুকানো সহজ কিন্তু বেরিয়ে আসা বা বেরিয়ে যাওয়া তারচেয়ে অনেক কঠিন।

 

এই মামলা প্রমাণে বাদী কোনোভাবে ব্যর্থ হলে তাকেই জেলে যাওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। এনামুল হাসান বা তার পরিবার এনামুলের এই কষ্টস্বীকারকে হালকাভাবে নিবে না, নেয়ার কথাও না, শেষ দেখেই ছাড়বে। আমি নিঃসন্দেহে বলতে পারি, সহযোগিতার অজুহাতে সাজানো মামলায় উনার বিরুদ্ধে হিংসা চরিতার্থ করা হচ্ছে। এবং যে কোটি কোটি টাকার সারিন্দা বাজানো হচ্ছে তা গল্পই।

 

অভিযোগ অনুযায়ী এনামুল হাসান সেই গল্পের সাইডপার্টে থাকলে তিন আসামী জেলে থাকার পরও নিজ বাড়িতে নাক ডাকিয়ে ঘুমুতেন না। আর বলতেন না, আমি এসব কল্পকাহিনি জানিনা।

 

তিনদিন আগে বলেছিলাম, যেহেতু বাতাসে নাম ওড়ছে, সতর্ক আর দূরে থাকবেন। কিন্তু উনি সতর্ক আর দুরকে তোয়াজ না করেই বললেন দরকারটা কি? এজন্য বলি, এনামুল হাসানের সেই দৃঢ় মনোবল অকপটে জানান দেয় যে, তিনি নিরপরাধ এবং গ্রেফতার হয়েই সেই নিরপরাধের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছেন।

 

আবারও বলছি, এনামুল হাসানের শর্তজুড়ে মুক্তি চাইনা- নিঃশর্ত। আমি চাই আগে সাড়েতিন আর দেড় হাজার কোটির রহস্য উন্মোচিত হোক। তারপর…