jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» মৌলভীবাজারে জাতীয় ছাত্রসমাজের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত «» ছাত্র মজলিস গোলাপগঞ্জ উপজেলা উত্তর ও পৌর শাখার সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত «» বড়লেখায় ছাত্র মজলিস বৃহত্তর খলাগাঁও শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত «» ঐতিহ্যবাহী বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের কর্মকান্ড সর্বমহলে প্রসংশিত- শফিকুর রহমান চৌধুরী «» জগন্নাথপুরে গুপ্তধনের সন্ধ্যানে জমিয়ত নেতা মাওঃ ইমরান আহমদ «» গোয়াইনঘাটে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ২০ «» জগন্নাথপুরে সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামী গ্রেফতার «» জগন্নাথপুর থানার এক পুলিশ অফিসার গরু চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ক্লোজ করা হয়েছে «» এমন দেশে বসত, বেশির ভাগই অসৎ «» ফলোআপ : বিশ্বনাথে শিশু খাদিজা হত্যা রহস্য নিয়ে অন্ধকারে পুলিশ



রহমতের চতুর্থ দিন আজ

আতিকুর রহমান নগরী :: আজ ৪ রমজান ১৪৪০ হিজরী। মহানবী সা. বলেন যে, ইহা সবর তথা ধৈর্য ধারণের মাস এবং সবরের বিনিময়ে আল্লাহপাক জান্নাত বরাদ্ধ রেখেছেন। ইহা পরস্পর সহানুভুতি প্রদর্শন করার মাস। যে ব্যক্তি এ মাসে আপন গোলাম ও শ্রমিক হতে কাজের বোঝা হালকা করে দেয়, আল্লাহপাক তাকে ক্ষমা করে দেবেন এবং জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি দান করবেন। যে ব্যক্তি কোনো রোযাদারকে ইফতারের সময় পানি পান করাবে আল্লাহপাক কেয়ামতের দিন তাকে ‘হাওজে কাওসারের’ পানি পান করাবেন। তারপর থেকে বেহেশতে প্রবেশ পর্যন্ত আর পানির কোনো পিপাসা হবে না।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা. হতে বর্ণিত হুজুর সা. বলেন যে, রমযানের প্রতিটি দিবারাত্রিতে আল্লাহর দরবারে দোযখ হতে অসংখ্য কয়েদীকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং প্রত্যেক মুসলমানের দিবা ও রাত্রে একটি করে দোয়া কবুল হয়। নিজে ইফতার করার পাশাপাশি রোজাদারদের ইফতার করানোর ফযিলতই আলাদা এ সম্পর্কে  হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে-হযরত যায়েদ বিন খালেদ জুহানী রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করালো তাকে রোজাদারের অনুরূপ সওয়াব দান করা হবে। কিন্তু রোজাদারের সওয়াবের কোন কমতি হবে না। (তিরমিযী /৮০৭)।
রমজান শরিফে প্রত্যেকের উচিত নিজের অধীনস্থদের উপর থেকে কাজের চাপ কমিয়ে দেয়া যাতে করে তাদের কষ্ট লাঘব হয়। হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত প্রিয়নবী সা.বলেন যে, ব্যক্তি বিনা ওজরে ইচ্ছা পূর্বক রমযানের একটি রোজা ভঙ্গ করেছে, অন্য সময়ের সারা জীবনের রোযা ঐ মাসের রোযার সমকক্ষ হবে না। মাহে রমজানের একটি রোযা কতই না মূল্যবান। অতএব আসুন আমরা সবাই নিজ নিজ অধিনস্থ কমকর্তা-কর্মচারী ও কাজের লোকদের উপর সহানুভূতিমূলক কাজের চাপ কমিয়ে দেই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ভালো কাজে প্রতিযোগিতা করার তৌফিক দান করুন।