jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» ছাতকে ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে সংখ্যালঘু পরিবার গৃহবন্দি «» ওসমানীনগরে মজলিসের সভায় বিশ্ব নেতৃত্ব দিবে অাজকের নির্যাতিত মুসলিম জাতীর নতুন প্রজন্মের সৈনিকরা- ছাত্রনেতা শাহাবুদ্দিন «» চিরকুট লিখে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা «» নবীগঞ্জে প্রেমিক- প্রেমিকার বিয়ে! «» ওসমানীনগরে কনফিডেন্স কোচিং সেন্টারের উদ্যোগে গুনিজন সম্মাননা স্মারক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» যারা কাশ্মীর কে ভারতের অংশ বলে, তারা ইতিহাস জানে না- নূর হুসাইন কাসেমী «» জগন্নাথপুরে সরকারি গাছ কাটা নিয়ে নির্দোষ দাবি যুবলীগ নেতার «» বিশ্বনাথ উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি! «» জগন্নাথপুরে দ্বিতীয় পাঠশালার উদ্বোধনে সমাজ থেকে নিরক্ষরতা মুক্ত করণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে- ইউএনও মাসুম «» ওসমানীনগর খেলাফত মজলিসের ঈদ পুণর্মিলনী সম্পন্ন



খেলাফত রাষ্ট্র ও ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার রাজনীতি ফরজে কেফায়া : মুফতি ওযায়ের আমীন

ব্যক্তি ও সামষ্টিক পর্যায়ে ইসলামী অনুশাসন প্রতিপালন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খিলাফত রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করা, খলিফা, ইমাম তথা আমিরুল মোমেনীন নিযুক্ত করা ফরজে কেফায়া। খেলাফত রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনীতি করাও ফরজে কেফায়া। সর্বোতভাবে ইসলামের বিধি-বিধান পালনের ব্যবস্থা না থাকলে অনতিবিলম্বে খলিফা নিযুক্ত করা ফরজে কেফায়া।

 

কিছু সংখ্যক লোকের রাজনীতি ও চেষ্টার দ্বারা ইসলামী শাসন কায়েম হয়ে গেলে সব মুসলমান জিম্মামুক্ত হয়ে যাবেন। কিছু মুসলমানের রাজনীতি দ্বারা ইসলামী শাসন কায়েম না হলে সব মুসলমান ফরজে কেফায়া তরকের গুনাহগার হবেন।

 

যেমন জানাজার নামাজ, কাফন-দাফন। মুসলমানদের কিছু সংখ্যক লোক এই দায়িত্ব পালন করলে সকলেই ফরজে কেফায়ার দায়িত্বমুক্ত হয়ে যান। আর জানাজার নামাজ না হলে সকলেই ফরজে কেফায়া তরকের গুনাহগার হবেন।

 

যারা নিজেদেরকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখেন, রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকাকে পছন্দ করেন, ক্ষেত্রবিশেষ রাজনীতিমুক্ত থাকাকে বুজুর্গী মনে করে থাকেন- তারা সাধারণত বলে থাকেন এটাতো ফরজে কেফায়া; কিছু লোক তো রাজনৈতিক ময়দানে আছেনই, আমি বা আমরা রাজনীতি না করলেও চলবে।

 

আসলে এটা প্রকৃত কোন জবাব নয়। কারণ যারা রাজনীতির ময়দানে আছেন তারা সংখ্যায় একেবারেই নগণ্য। এদের রাজনীতি দ্বারা নিজেরা ফরজে কেফায়ার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেলেও সামগ্রিকভাবে এসল্প সংখ্যক লোক দ্বারা ইসলামী শাসন কায়েম হওয়া অসম্ভব প্রায়। সেহেতু অন্য সকল মুসলমানদের উপর থেকে এ ফরজে কেফায়ার জিম্মাদারী রহিত হয়ে যায় না।

 

অতএব ‘কিছু সংখ্যক লোক রাজনীতি করে’- এই অজুহাতে মুসলমানদের ইসলামী রাজনীতি থেকে বিরত থাকা সুস্পষ্ট ফরজে কেফায়া লংঘন। রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকা বুজুর্গী তো নয়-ই বরং ফরজে কেফায়া পালন না করার অপরাধ। খলিফা বা ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর-ই কেবল ফরজে কেফায়া এর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাবেন। খলিফা নিয়োগের আগ পর্যন্ত সকলেই ফরজে কেফায়া পালন না করার জন্য দায়ী থাকবেন। সূত্র- (আল আহকামুস সুলতানিয়া, ফতোয়ায়ে শামী, এমদাদুল ফতোয়া, আহকামে জিন্দেগী।)