jagannathpurpotrika-latest news

আজ, ,

সর্বশেষ সংবাদ
«» মৌলভীবাজারে জাতীয় ছাত্রসমাজের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত «» ছাত্র মজলিস গোলাপগঞ্জ উপজেলা উত্তর ও পৌর শাখার সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত «» বড়লেখায় ছাত্র মজলিস বৃহত্তর খলাগাঁও শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত «» ঐতিহ্যবাহী বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের কর্মকান্ড সর্বমহলে প্রসংশিত- শফিকুর রহমান চৌধুরী «» জগন্নাথপুরে গুপ্তধনের সন্ধ্যানে জমিয়ত নেতা মাওঃ ইমরান আহমদ «» গোয়াইনঘাটে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ২০ «» জগন্নাথপুরে সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামী গ্রেফতার «» জগন্নাথপুর থানার এক পুলিশ অফিসার গরু চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ক্লোজ করা হয়েছে «» এমন দেশে বসত, বেশির ভাগই অসৎ «» ফলোআপ : বিশ্বনাথে শিশু খাদিজা হত্যা রহস্য নিয়ে অন্ধকারে পুলিশ



প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হলেই দিতে হবে কুরআন তেলাওয়াত পরীক্ষা!

জেএসবি টুয়েন্টিফোর :: জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে রয়েছে নানা শর্ত। বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নানা শর্ত পূরণ করতে হয় প্রার্থীদের। কিন্তু এমন একটি দেশ রয়েছে যেখানে কুরআন তেলাওয়াতের পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হলেই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া সম্ভব।

সম্প্রতি ইন্দোনিশয়ার আচেহ প্রদেশের একটি সংগঠন দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদেরকে কুরআন তেলাওয়াতের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিলো।
২০১৯ সালের এপ্রিলে ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই ধারাবাহিকতায় আচেহ প্রদেশের একটি ইসলামি সংগঠন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বর্তমান প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো এবং বিরোধী দলীয় প্রার্থী প্রোবো সুবিয়ান্তোকে কুরআন তেলাওয়াতের পরীক্ষার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

কুরআন তেলাওয়াতের এ পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে বাধ্যতামূলক সুরা ফাতিহা পাঠ। আর আয়োজকরা প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদেরকে যে কোনো একটি নির্ধারিত সুরা থেকে কিছু অংশ পাঠ করতে দেবে।

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের এ ইসলামি সংগঠনের চেয়ারম্যান মারসিউদ্দিন ইশাক এ পরীক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের চরিত্র সামনে নিয়ে আসা এবং শরিয়াহ মতে পরিচালিত আচেহ প্রদেশের সংস্কৃতিকে জন সম্মুখে মডেল হিসেবে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য।

এর ফলে দেশের প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে সব নির্বাচনে অংশ নেয়া মুসলিম জনপ্রতিনিধিদের কুরআনের শিক্ষা ও তেলাওয়াতে উদ্বুদ্ধ করা এবং সে মতে দেশ পরিচালনায় উদ্বুদ্ধ করা।

উল্লেখ্য যে, ইন্দোনেশিয়ার এ শহরটি ইসলামি শরিয়াহ আইনে পরিচালিত হয়ে আসছে। আচেহ প্রদেশের যে কোনো নির্বাচনের আগে সব প্রার্থীকেই কুরআন তেলাওয়াতের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হয়।